রবিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৫

বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিকেরও বেশি লোক আহত

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আগামী বুধবার (২০ নভেম্বর) উপজেলার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিকের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সদরের প্রতাপগঞ্জ বাজারের মূসা মার্কেটের সামনে এ সংঘর্ষটি হয়। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চললে বিকেলে যৌথ বাহিনীর হামলাস্থলে এলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এই সংঘর্ষে প্রায় অর্ধশতাধিককেরও বেশি লোক আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অন্যরা বাঞ্ছারামপুর সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী বুধবার বাঞ্ছারামপুর সরকারি এসএম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। এই সম্মেলন বাতিলের দাবিতে গণমিছিল ও প্রতিবাদ সভা আয়োজন করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের একটি অংশ। দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সদরের মাতুর বাড়ির মোড় থেকে সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক, রফিক শিকদার, অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া ও ড. সাইদুজ্জামান কামালের নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়। এসময় প্রতাপগঞ্জ বাজারে বিএনপির সদস্য সচিব একেএম মূসার মালিকানাধীন মার্কেটের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মূসা মার্কেটের ছাঁদ থেকে কয়েকজন লোক ইটপাটকেল ঢিল ছুড়ে মারে। এ সময় নেতাকর্মীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ধাওয়া- পাল্টাধাওয়া শুরু হলে ইটের আঘাতে ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়। কার্যালয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে নেতা কর্মীদের অন্ততঃ ২০/২৫ টি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা রঞ্জন বর্মন বলেন, এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের চিকিৎসা নিয়েছে। ঢাকায়ও প্রায় অনেক রোগী গিয়েছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য এমএ খালেক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে মুসা মার্কেটের সামনে দিয়ে আসার সময় বিনা উস্কানিতে নেতাকর্মীদের ইটপাটকেল ছুড়ে মারে। এ সময় ৫০ জনের মতো নেতাকর্মী আহত হয়।

বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোরশেদ আলম বলেন, দুপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে যৌথ বাহিনী ও পুলিশ।

সর্বাধিক পঠিত