প্রতিবেদক- মেহেদী হাসান
৯ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাই কমিশনে মহাসমারোহে আয়োজিত হলো "দ্যা ডিউক অফ এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (The Duke of Edinburgh's International Award Foundation Bangladesh)" আয়োজিত "৯ম গোল্ড অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান"
এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ১৮টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯জন শিক্ষার্থী এই স্বর্ণপদকের গৌরব অর্জন করেছেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার মহামান্য সারাহ কুকের বাসভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাই কমিশনার স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন এবং নিজ হাতে শিক্ষার্থীর অ্যাওয়ার্ড এবং সার্টিফিকেট প্রদান করেন। অ্যাওয়ার্ড এবং সার্টিফিকেট প্রাপ্ত চবি শিক্ষার্থীরা হলেন ,
কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ, ইতমিনান মনির বাসিলিস, সাজেদা আক্তার সাথী, নাদিম মাহমুদ সতেজ, ইকরাম ওয়াহিদ তোহা, নাজমুল হাসান ইসহাক, খুর্শিদা জাহান সুমা, মোঃ আব্দুল আলিম এবং মো. মাহমুদুল হাসান।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সবাইকে অভিনন্দন জানান এবং বলেন, " দ্যা ডিউক অফ এডিনবরা অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত তরুণ-তরুণীরা সীমা ছাড়িয়ে এবং নিজেদের পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের নতুন দক্ষতা অর্জন এবং সমাজের মাঝে নিজেদের নিয়োজিত করতে পেরেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে বর্তমানে তারা বিশ্বের উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে।"
চবির ৯জন শিক্ষার্থীর সাথে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিউক অফ এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর ও ফার্মেসী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নওরীন মনির প্রমা।
এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষক প্রফেসর ড. নুসরাত জাহান কাজল, দ্যা ডিউক অফ এডিনবরা অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ড এর চেয়ারম্যান জনাব রিজওয়ান বিন ফারুক , সম্মানিত সেক্রেটারি জনাব মির্জা সালমান ইস্পাহানী এবং ট্রেজারার তালিতা চৌধুরী সহ অনেকে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ডিউক অব এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ব্রিটিশ রাজ পরিবারের দ্বারা পরিচালিত। এর যাত্রা শুরু ১৯৫৬ সালে প্রিন্স ফিলিপের হাত ধরে। বর্তমানে ১৪৪টির বেশি দেশে এই অ্যাওয়ার্ডের কার্যক্রম চলছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বে তরুণদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব, উদ্যমী, সাহসী, আত্মবিশ্বাসী এবং সামাজিক কাজে দক্ষতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। তরুণরা নিজ দেশে কাজ করার পাশাপাশি বিশ্বের মাঝে নিজ দেশকে পরিচিত করার সুযোগ পায়।