
হুমায়ুন রশিদ বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি
৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাঘাইছড়ি উপজেলায় সংগঠিত নির্বাচনী সহিংসতার ৬ বছর পূর্ণ হলো ১৮ ই মার্চ । দিনটিতে শহীদের স্মৃতিচারণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে নিহত ও আহত পরিবারের সদস্য সহ সাধারণ লোকজন।
২০১৯ সালের ১৮ মার্চ পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষে সাজেক থেকে উপজেলা সদরে ফেরার পথে ৯ কিলো নামক স্থানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ৮ জন নিহত ও ৩৩ জন আহত হয়। ঘটনার ছয় বছর পার হয়ে গেলেও দোষীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় জনমনে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হচ্ছে দিনদিন। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘটনার পর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় নিহত ও আহত পরিবারদের ক্ষতিপূরন ও কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ছয় বছর পার হলেও বাস্তবায়ন হয়নি তার প্রতিশ্রুতি। নিহত ও আহতদের কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলেও নেয়া হয়নি কর্মসংস্থানের কোন উদ্যোগ। প্রতি বছর দিবসটিকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক ভাবে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়ে আসলেও বাস্তবে কোন সুফল পায়নি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।ধারাবাহিকতার অংশ হিসেব এবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তারের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারক লিপি দেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। তারা তাদের পূর্বের আক্ষেপ ও হতাশার কথা তুলে ধরে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় তৎকালীন রাজনৈতিক সরকারের অবহেলা ও অসহযোগীতাকে দায়ী করেন।তারা আশা প্রকাশ করে বলেন বর্তমানে ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকার দোষীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে বর্তমান সরকার যথাযথ ভূমিকা রাখবে বলে আশা রাখেন।