
ঈদগাঁও প্রতিনিধি
দক্ষিন চট্টলার সর্ব বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারের দ্বীর্ঘদিনের ইজারাদার কক্সবাজার জেলা যুবলীগ নেতা ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অর্থ যোগানদাতা রমজান কোম্পানীর বিরোদ্ধে ৩০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ তুলেছে বিগত ১৪৩১ বাংলা সনের সাব ইজারাদার মোহাম্মদ শাহ জাহান। এর আগেও গরু পাচার ও ডাকাতিসহ্ নানান অপকর্মের দায়ে মামলাও হয়েছিলো ঈদগাঁও বাজারের আলোচিত এ ইজারাদারের বিরুদ্ধে।
রমজান কোম্পানি থেকে চুক্তির ভিত্তিতে নেওয়া বাজারের সাব ইজারাদার শাহ জাহান বাদি হয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঈদগাঁও থানায় রমজান কোম্পানীর বিরোদ্ধে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন- বিগত ১৪৩১ বাংলা সনে এক বছর মেয়াদের ঈদগাঁও বাজার হস্তান্তরের মাধ্যমে রমজান কোম্পানী কার্যালয় স্মারক নং-উনিঅ/ঈদগাঁও/কক্স/২৪/২৫, তারিখ-০৪/০৪/২০২৪ইং তারিখের আদেশ বলে ঈদগাঁও ইজারাদারের দায়িত্ব গ্রহন করে। পরে সাব ইজারা-বাজারের মাধ্যমে ১,১৩,৫০,০০০/-(এক কোটি তের লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা দিয়ে শাহ জাহানের নিকট হস্তান্তর করেন। শর্তানুসারে বাজারের ৫টি খাতে ইজারা আদায়ের কথা বলা হলেও ইজারা গ্রহনের বেশ কিছুদিন পর আমরা জানিতে পারি যে, উক্ত ৫টি খাতের মধ্যে লোড আনলোড এর শর্তটি বৈধ বলিয়া ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) টাকা গ্রহন করে। পরবর্তীতে জানা যায় উক্ত শর্তটি সম্পূর্ণ অবৈধ। সে আমাদের বৈধ বলিয়া মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় গ্রহন করে আমাদের কাছ থেকে ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) টাকা আত্মসাৎ করেছে। পরবর্তীতে তৎকালীন স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর হইতে অদ্যবধি পর্যন্ত সাব ইজারাদাররা উক্ত খাতে কোন ধরনের ইজারা গ্রহন করতে পারে নাই। বর্তমানে উক্ত খাতে সাব ইজারাদারদের প্রায় ৩০,০০,০০০/- (ত্রিশ লক্ষ) টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। পরবর্তীতে সাব ইজারাদাররা খোঁজ নিয়ে আরো জানতে পারে, রমজানুল আলম কোম্পানী ইজারা গ্রহনের সময় ১,০৪,০০,০০০/-(এক কোটি চার লক্ষ) টাকা দিয়ে ইজারা গ্রহন করলেও সে আমাদের মিথ্যা কথা বলিয়া ৯,৫০,০০০/-(নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা বাড়তি টাকা গ্রহন করে প্রতারনা করে।
থানায় অভিযোগ দায়েরের এক মাস পার হলেও থানা পুলিশ কোন সুরাহা করতে না পারায় খুব শীঘ্রই আদালতের স্বরনাপন্ন হবেন বলে প্রতিবেদবকে জানান সাব ইজারাদার মোঃ শাহ জাহান।
অভিযোগের বিষয়ে রমজান আলম কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,শাহাজান আর আমি মিলে বাজারের ইজারা নিই তন্মধ্যে আমি গরু বাজার ও সাব বাজার নিয়ন্ত্রণে ছিলো শাহাজাহান। ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, “দুজনে মিলে যেহেতু ব্যাবসা করেছি তাহলে শাহাজাহান যদি বাজারের ইজারা তুলতে না পারে তাহলে এর দায়বার নিবে ইউএনও”।
অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মছিউর রহমান বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলমান।